নাগরিকদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের প্রতিটি নাগরিককে শক্তিশালী ও স্বাবলম্বী করে তুলতে না পারলে একটি রাষ্ট্র কখনোই প্রকৃত অর্থে শক্তিশালী হতে পারে না।
শনিবার ইমাম-খতিব, মুয়াজ্জিন এবং বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী ভাতা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নাগরিকদের দুর্বল রেখে কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না। তাই দেশের মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তিনি জানান, জাতীয় নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা নারীদের সহায়তায় ইতোমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই কার্ড দেশের সব প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হবে। পাশাপাশি আগামী পয়লা বৈশাখ থেকে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম আরও সহজ ও কার্যকর করা সম্ভব হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদকে ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি মনে করেন, মসজিদগুলোকে শুধু নামাজ আদায়ের স্থান হিসেবে নয়, বরং সমাজে নৈতিকতা, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্র হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।
ধর্মীয় নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সমাজে নৈতিকতা, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধের মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ, সহনশীল ও মানবিক সমাজ গঠন সম্ভব বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।






